বেনাপোলে ভারতীয় ট্রাকে তল্লাশি করে যা পাওয়া গেল
বেনাপোল বন্দরে ফেলে পালিয়ে যাওয়া একটি ভারতীয় ট্রাক আড়াই মাস পর তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ট্রাকটিতে ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, শাড়ি, থ্রি-পিস, কসমেটিকস ও পটকা পাওয়া গেছে। জব্দ করা পণ্যের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে কাস্টমস।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ট্রাকটির সিলগালা ভেঙে আনুষ্ঠানিকভাবে তল্লাশি চালানো হয়। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বন্দর কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা বেনাপোল বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালে একটি ভারতীয় ট্রাক থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় ট্রাকটি (নম্বর: HR-3811248) বন্দরে রেখেই চালক পালিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন ট্রাকটি সিলগালা অবস্থায় পড়ে ছিল।Logo
বেনাপোলে ভারতীয় ট্রাকে তল্লাশি করে যা পাওয়া গেল
By
Toukir Ahmmed
December 15, 2025
বেনাপোল বন্দরে ফেলে পালিয়ে যাওয়া একটি ভারতীয় ট্রাক আড়াই মাস পর তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ট্রাকটিতে ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, শাড়ি, থ্রি-পিস, কসমেটিকস ও পটকা পাওয়া গেছে। জব্দ করা পণ্যের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে কাস্টমস।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ট্রাকটির সিলগালা ভেঙে আনুষ্ঠানিকভাবে তল্লাশি চালানো হয়। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বন্দর কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা বেনাপোল বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালে একটি ভারতীয় ট্রাক থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় ট্রাকটি (নম্বর: HR-3811248) বন্দরে রেখেই চালক পালিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন ট্রাকটি সিলগালা অবস্থায় পড়ে ছিল।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার সাকিবুর রহমান জানান, প্রাথমিক পরীক্ষায় ট্রাকের ভেতরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ, শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বাজি (পটকা) পাওয়া গেছে, যেগুলোর অধিকাংশই বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। যদিও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই অবৈধ চালানের মালিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রাইস ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, কাস্টমসের একটি অসাধু চক্রের যোগসাজশেই শুল্ক ফাঁকি দিয়ে নিয়মিত অবৈধ পণ্য আমদানি হচ্ছে। অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় বৈধ পথেই বন্ধ হচ্ছে না পণ্য পাচার, ফলে সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব।

Comments
Post a Comment